শুক্রবার, ৯ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নানান নাটকীয়তায় প্রফেসর ইলিয়াছ উদ্দিন আহাম্মদকে ওএসডি 

দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ক্রোধের শিকার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইলিয়াছ

মুহাম্মদ মহিউদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধি।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড  অনিয়ম ও দুর্নীতির ছায়ায় বাসা বেধেছে। যাবতীয় অন্যায় ন্যায়ে পরিণত হয় এখানে। ন্যায় ও স্বচ্ছতার প্রত্যাশা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বর্তমান সংকট কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের সমস্যা নয়, বরং পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার গভীর সংকটের প্রতিফলন। প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের জালে বন্দি চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ছেলেকে মেয়ে বানানো ( লিঙ্গ পরিবর্তন)   ফলাফল জালিয়াতি  ও কেনাকাটাসহ নানান অনিয়ম ও লুটপাটের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়ে সুনাম হারাতে বসেছে প্রতিষ্ঠানটি।
মাধ্যমিক  উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রাম সুদীর্ঘকাল থেকে  মাফিয়া সিন্ডিকেট দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা সাম্রাজ্যেদের চলা বোর্ডের কার্যক্রমের শিখড় ভাঙা এবং তাদের  মুখোশ উন্মোচনে কাজ করতে গিয়ে সিন্ডিকেটের ক্রোধের শিকার বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইলিয়াছ উদ্দিন  আহাম্মদ।
জানা যায়, অধ্যাপক ইলিয়াছ উদ্দিন আহমেদকে  ৮ ডিসেম্বর ওএসডি করা হয়। তার এই ওএসডি করার পুরো প্রক্রিয়াটা রহস্য জনক এবং ধ্রুমজাল সৃষ্টি হয়েছে শিক্ষা বোর্ডে।ওএসডি অনলাইনে প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ না করে ১৪ দিন পর্যন্ত এটি গোপন করে রেখে  গত  ২১ ডিসেম্বর  ইলিয়াস উদ্দিন আহমেদকে জানানো হয় তাকে ৮ ডিসেম্বর  ওএসডি করা হয়েছে।  কর্মকর্তারা অবসরে গেলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়  তাদেরকে কিছুদিন আগে ওএসডি করা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হলেও অধ্যাপক ইলিয়াছ উদ্দিন আহাম্মদ এর  ক্ষেত্রে ঘটেছে ভিন্ন রকম। তাকে আড়াই মাস আগে ওএসডি করলেও তার বাকি কর্মকাল কোথায় থাকবেন সে বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে সুস্পষ্ট কিছুই উল্লেখ নেই। তার জায়গায় রিপ্লেসমেন্ট করা হয়েছে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরীকে ফলে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে অত্যন্ত সু প্রকল্পিতভাবে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের রোশনালের শিকার হয়েছেন তিনি।
চলিত বছরের  (১২ ফেব্রুয়ারি) বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মাহবুব আলম সই করা এক প্রজ্ঞাপনে বোর্ডের চেয়ারম্যান দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি বোর্ডের সুনাম ফিরিয়ে আনতে  সার্বিক প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে গিয়ে প্রতিটি পদে পদে সিন্ডিকেটের বাঁধার সম্মুখীন হন। একটি দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে তিনি ব্যর্থ হন।
বিশেষ করে, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় আলোচিত কেলেঙ্কারি প্রকাশ পায় বোর্ডের খাতা গণনায়। বিশেষায়িত ১৬ লাখ ৪৫ হাজার খাতা থাকার কথা থাকলেও পাওয়া গেছে মাত্র ১০ লাখ ৪৭ হাজার। একইভাবে ১২ লাখ ৪৮ হাজার লুজ শিটের বদলে মজুদে আছে সাড়ে ৮ লাখ। অর্থাৎ সাড়ে ১০ লাখ খাতা উধাও।
পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও শিক্ষার্থীদের জিপিএ-৫ পাওয়া, পুনঃনিরীক্ষণে খাতার চেয়ে সার্ভারে বেশি নম্বর দেখানো কিংবা ১০ লাখ  টাকার  লেনদেনে মেয়ের
জায়গায় ছেলে পরীক্ষা দেওয়ার ঘটনা,পরীক্ষার ফল জালিয়াতির মতো নানান অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব থাকা এবং এসব ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনের  নেপথ্যের নায়ক ছিলেন অধ্যাপক ইলিয়াস উদ্দিন আহম্মেদ।
বোর্ডের একাধিক সূত্র বলছে, মূলত ১০ লাখ খাতা গায়েব এবং ১০ লাখের ‘লেনদেনে মেয়ে থেকে ছেলে বদলে যাওয়ার কাহিনী, কেনাকাটায় সীমাহীন লুটপাট  , ফল জালিয়াতির কারণ অনুসন্ধান ও প্রতিষ্ঠানকে দুর্নীতিমুক্ত করতে নানান পদক্ষেপ গ্রহণের  কারণে দুর্নীতিবাজ  কর্মকর্তাদের চক্ষু শুলে পরিণত হন   অধ্যাপক ইলিয়াস উদ্দিন আহমেদ ।
অভিযোগ আছে, এক ছাত্রীর নাম পরিবর্তন করে অন্য একজনের পরীক্ষা দেওয়ারও। গত ৩ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইলিয়াছ উদ্দিন আহাম্মদের কাছে নাঈম চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি এমন অভিযোগ করেন। অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে খাগড়াছড়ির শহীদ লেফটেন্যান্ট মুশফিক হাইস্কুলের এক পরীক্ষার্থীর নাম পরিবর্তন করে অন্য একজনের নামে প্রবেশপত্র তৈরি করা হয়েছে। অভিযোগটি তদন্ত করতে তিনি তদন্ত কমিটি করে দেন। এখানে বাদে-বিপত্তি।
চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার (এসএসসি) উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের ফল জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগের তদন্তে দুদকের সহকারী পরিচালক সাঈদ মোহাম্মদ ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে অভিযান পরিচালনা করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ২০২৫ সালের মাধ্যমিক এসএসসি পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণের ফলে অসংগতির অভিযোগ ওঠায় ১১ সেপ্টেম্বর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বোর্ড কর্তৃপক্ষ। বোর্ডের হিসাব ও নিরীক্ষা শাখার উপপরিচালক মুহাম্মদ একরামূল হককে প্রধান করে এই তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। শিক্ষা বোর্ড জানায়, উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল তৈরির সময় ৩৪টি উত্তরপত্রে অসংগতি ধরা পড়ে। উত্তরপত্রে থাকা নম্বর ও কম্পিউটারে ইনপুট দেওয়া নম্বরের গরমিল পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে দুদকে একটি অভিযোগ জমা পড়ে। সেটি তদন্তে বোর্ড থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করেছে দুদক।
এর আগেও বোর্ড কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ফল জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের এইচএসসি পরীক্ষায় বোর্ডের তৎকালীন সচিব নিজ ছেলের ফল জালিয়াতি করেছিলেন। ওই ঘটনায় তাঁকে বরখাস্ত করা হয় এবং মামলা হয়, যা এখনও বিচারাধীন।
সূত্র বলছে, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত হতে পারেনি  যখন যে সরকার থাকে তখন ওই সরকারের তাবেদারি করে চলে এই বোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
স্বেচ্ছাচারীতা ও জবাবদিহিতা না থাকায়  এই বোর্ডে দীর্ঘদিন  ধরে দুর্নীতিবাজদের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট চক্র বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছে।  এদের সাথে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে বেশ দহরম মহরম সম্পর্ক  রয়েছে। ফলে কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বললে বদলি সহ নানান প্রকার  সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।  এসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বহু সংবাদ প্রচারিত হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়  কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। ফলে দিনে দিনে  দুর্নীতিবাজরা আরো বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠছে। সিন্ডিকেট কত শক্তিশালী হলে দুর্নীতি এতটা ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে  এবং সকল অন্যায়কে ন্যায়ে পরিণত করতে পারে। তার একটি জলন্ত  উদাহরণ অধ্যাপক ইলিয়াস উদ্দিন আহমেদের নাটকীয় ওএসডির ঘটনা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা বলেন, অধ্যাপক ইলিয়াস উদ্দিন আহমেদ স্যারের মতো মানুষ হয়না তিনি একজন সৎ যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তি। তিনি দুর্নীতির সাথে আপোষ করেননি বলে  নির্দিষ্ট সময়ের আগে কর্মস্থল থেকে তাকে বিদায় নিতে হয়েছে। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জাকর।
জানা যায়, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের  কম্পিউটার , একাউন্ট , স্কুল , কলেজ , এডমিন ও প্রশাসন শাঁখার কতিপয় কর্মকর্তাদের বদলি হওয়ার সুযোগ না থাকায় দুর্নীতির শিখড় থেকে শিহরে পৌঁছে গেছে । প্রত্যেকটি শাখায় রয়েছে নানান অসঙ্গতী ও দুর্নীতি ওপেন সিক্রেট।

উল্লেখ্য গত (৬ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগে সেকশন অফিসার জাহেদ হোসেন ও অফিস সহায়ক জমির উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্তও করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সচিব অধ্যাপক ড. এ কে এম সামছু উদ্দিন আজাদ স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২ নভেম্বর বেলা ১১টা ৪০ থেকে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের দপ্তরে বোর্ডের বিভিন্ন শাখায় কর্মরত সেকশন অফিসাররা পদোন্নতি সংক্রান্ত বিষয়ে সাক্ষাৎ করতে যান।

পরে হিসাব শাখায় কর্মরত সেকশন অফিসার জাহেদ হোসেন, অফিস সহকারী আইউব আলী, অফিস সহায়ক জমির উদ্দিন অনুমতি না নিয়ে চেয়ারম্যানের কক্ষে প্রবেশ করেন। এক পর্যায়ে অশোভন, অশালীন ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন। এদের মধ্যে জাহেদ হোসেন ও জমির উদ্দিন শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যানকে দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করেন। এছাড়া বোর্ড চেয়ারম্যানের রুমে উপস্থিত অন্যান্যদের সঙ্গেও শিষ্টাচার বহির্ভূত আচরণ করেন, যা সরকারি কর্মচারী বিধিমালার পরিপন্থী।এমতাবস্থায় কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী জাহেদ হোসেন ও জমির উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।জানা যায়, জাহেদ হোসেন ও জমির উদ্দিন বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শাখা প্রধান বলেন, আমাদের বদলি হওয়ার সুযোগ নাই।  সুতরাং কোন  চেয়ারম্যান আমাদের বিরুদ্ধে একশন নিলে নিজেকে পড়াতে হবে বিপদে।
অধ্যাপক ইলিয়াছ উদ্দিন আহাম্মদ বলেন, ২০২৬ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখ  আমার অবসরজনিত  বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। অনুরূপভাবে মন্ত্রণালয় আমাকেও পত্র দিয়ে অবহিত করবেন। অবসরের পূর্বে ওএসডি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।
কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো আমাকে ওএসডি করা হয় চলিত মাসের ৮ ডিসেম্বর যা অনলাইনে দেওয়া হয়নি। অথচ আমি জানতে পারি ২১ ডিসেম্বর আবার তাও রিপ্লেসমেন্ট একজনকে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব বিষয়  আমার থেকে গোপন রাখা হয়েছে।
চট্টগ্রামের আপামর জনসাধারণের  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আস্থার ঠিকানা  চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডকে দুর্নীতিমুক্ত করতে আমার নিরন্তর প্রচেষ্টা ছিল । একটা বিষয় আমি স্পষ্ট হয়েছি চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডকে কেউ নিজের প্রতিষ্ঠান হিসেবে ভাবতে পারেনি। শিক্ষাগত পেশা থেকে এই পর্যন্ত যেসব জায়গায় কর্মরত ছিলাম চেষ্টা করেছি নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের সেবা দিতে। অবসরের পর বাকি জীবনটা যেন  ভালো কর্ম করে যেতে পারি। নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি বিষয়ের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার প্রতি কারো কোনো অভিযোগ নেই। তবে শেষ কথা হচ্ছে মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তকে আমি সম্মান জানাই।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সংগঠন “ছাত্র সংগ্রাম কমিটির” সভাপতি  মো. কামাল উদ্দিন  এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, দুঃখজনক হলো, এই মহামারি সৃষ্টিকারী সিন্ডিকেট এখনো বোর্ডের বিভিন্ন উচ্চপদ দখল করে রেখেছে। শিক্ষা ক্যাডারের কয়েকজন সিন্ডিকেটের সুবিধাভোগী, তারা প্রতিনিয়ত পদোন্নতির জন্য মরিয়া। তারা এমন ব্যস্ত যে, তদন্ত প্রতিবেদন কার্যকর করার মতো সময়ই তাদের নেই। অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও একবার নির্দেশ দিয়েই চুপ হয়ে আছে, যা কেবল সাধারণ মানুষের হতাশা বাড়াচ্ছে। শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নীরবতা এবং দায়িত্বশীলতার অভাব কেবল একটি প্রতিষ্ঠানকেই নয়, বরং আমাদের সমাজের সার্বিক নৈতিক চরিত্রকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এ কারণে, আমাদের এখনই সঠিক পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে এই অনিয়মের বিরুদ্ধে একটি দৃঢ় বার্তা দেওয়া যায়।
অধ্যাপক ইলিয়াছ ১৪তম বিসিএসে যোগ দিয়ে ১৯৯৩ সালের ১৪ নভেম্বর প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেন। ২০১৮ সালের ৯ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। পরে ২০২৩ সালের ২৩ জুলাই পটিয়া সরকারি কলেজে উপাধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন তিনি। সর্বশেষ তিনি ওই কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
শেয়ার করুন