গেটে শ্রমিকদের তীব্র ক্ষোভ ও বিক্ষোভের কারণে অন্য সাধারণ পণ্যবাহী যানবাহনও আতঙ্কে চলাচল বন্ধ করে দেয়। ফলে ইপিজেড, বন্দর এলাকা থেকে শুরু করে শহরের প্রধান প্রধান সড়কে গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়।
ভোগান্তির চরম শিখরে সাধারণ মানুষ: কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়া হুট করে বাস ও যান চলাচল স্তব্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ পথচারী ও কর্মজীবী মানুষ। অধিকাংশ মানুষই বুঝতে পারছিলেন না হঠাৎ কেন এই অচল অবস্থা।
বহদ্দারহাটের বাসিন্দা ও পোশাককর্মী হামিদা আকতার আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, “সারাদিন কাজ শেষে ছুটির পর বাসায় ফিরব, এসে দেখি রাস্তায় কোনো গাড়ি চলছে না। কেন গাড়ি বন্ধ, তা-ও কেউ বলতে পারছে না। প্রায় দুই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার পর কোনো উপায় না দেখে হেঁটে রওনা হয়েছি, জানি না কখন ঘরে পৌঁছাব।”
যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকা মাইক্রোবাস চালক জসিম উদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ইপিজেড এলাকায় দাঁড়িয়ে আছি। বন্দর সিকিউরিটির সঙ্গে শ্রমিকদের ঝামেলার কারণে পুরো শহরের লাখ লাখ মানুষকে এভাবে জিম্মি করে রাস্তা ব্লক করে রাখা সম্পূর্ণ অমানবিক।”
বন্দর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য: সমস্যা নিরসনে আলোচনার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, “একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কারণে বন্দর অভ্যন্তর থেকে কনটেইনার ডেলিভারি আপাতত বন্ধ আছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং দ্রুত সমাধান বের করতে শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আশা করছি খুব শিগগিরই সমস্যার সুরাহা হবে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হবে।”















